লোড হচ্ছে...
অনুগ্রহ করে একটু অপেক্ষা করুন
আপনার প্রয়োজনীয় ডিজিটাল সেবাটি ওয়েবসাইট থেকে খুঁজে নিন।
আমাদের WhatsApp-এ সরাসরি মেসেজ দিয়ে বিস্তারিত কথা বলুন।
নিরাপদ গেটওয়ের মাধ্যমে সার্ভিস ফি প্রদান সম্পন্ন করুন।
খুব অল্প সময়েই আপনার কাঙ্ক্ষিত সেবাটি আমরা সম্পন্ন করবো।
দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার সাথে আমরা দিচ্ছি সঠিক ও নির্ভুল আবেদন প্রক্রিয়া।
আপনার ব্যক্তিগত তথ্যের শতভাগ নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করা হয়।
বিকাশ বা রকেটের মাধ্যমে খুব সহজেই পেমেন্ট সম্পন্ন করতে পারবেন।
অনলাইনের মাধ্যমে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে আমাদের সেবা নেওয়া সম্ভব।
যেকোনো প্রশ্ন, সমস্যা বা সহায়তার জন্য আমরা সর্বদা আপনার পাশে আছি।
ইমেইল
computercorner96@gmail.com
যেকোনো সময় আমাদের লিখুন
লাইভ চ্যাট
WhatsApp-এ যোগাযোগ
আমাদের সহায়ক টিম প্রস্তুত
অফিস ঠিকানা
ফয়লাহাট, বাগেরহাট
সরাসরি দেখা করতে আসুন
ফোন নম্বর
+880 1521-241092
রবি–বৃহস্পতি, সকাল ৯টা–বিকাল ৫টা
অফিস সময়
রবিবার — বৃহস্পতিবার
সকাল ৯:০০ — বিকাল ৬:০০
আপনার প্রশ্ন বা মতামত পাঠান, আমরা শীঘ্রই সাড়া দেব।
আপনার প্রতিদিনের কাজে প্রয়োজনীয় সকল সরকারি ও জরুরি পোর্টালের লিংকসমূহ এখানে সাজানো রয়েছে।

এই লিংকে প্রবেশ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বোর্ড চ্যালেন্জ আবেদন করতে পারবেন

ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সকল রেজাল্ট। nu result, Degree Result,

এই লিংকে প্রবেশ করে অনার্স, ডিগ্রি, মাস্ট্রার্স ভর্তি আবেদন করতে পারবেন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ফরম ফিলাপ। NU Form Fill up করতে পারবেন এই লিংকে প্রবেশ করে
কম্পিউটার কর্নার এর পক্ষ থেকে প্রযুক্তিগত দিকনিদের্শনা, টিপস এবং ট্রিকস নিয়ে আমাদের নিয়মিত আয়োজন।

ড্রাইভিং লাইসেন্সের পূর্বশর্ত হলো লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স। গ্রাহককে প্রথমে লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করতে হবে। গ্রাহককে তার স্থায়ী ঠিকানা বা বর্তমান ঠিকানা (প্রয়োজনীয় প্রমাণাদিসহ) বিআরটিএ’র যে সার্কেলের আওতাভূক্ত তাকে সেই সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। সার্কেল অফিস কর্তৃপক্ষ তাকে একটি শিক্ষানবিস বা লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করবে যা দিয়ে আবেদনকারী ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবে। ২/৩ মাস প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর তাকে নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে নির্ধারিত কেন্দ্রে লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্ট-এ অংশ গ্রহণ করতে হবে। এসময় প্রার্থীকে তার লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স (মূল কপি) ও লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কলম সাথে আনতে হবে। পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য বয়স ন্যূনতম ২০ বছর এবং অপেশাদার এর জন্য ন্যূনতম ১৮ বছর হতে হবে। লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: ১। নির্ধারিত ফরমে আবেদন। ২। রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট। ৩। ন্যাশনাল আইডি কার্ড / জন্ম সনদ/পাসপোর্ট এর সত্যায়িত ফটোকপি। ৪। নির্ধারিত ফী জমাদানের রশিদ।। ৫। সদ্য তোলা ০৩ কপি স্ট্যাম্প ও ০১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি। লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর পুনরায় একটি নির্ধারিত ফরমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফী প্রদান করে স্মার্টকার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য সংশিস্নষ্ট সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। গ্রাহকের বায়োমেট্রিক্স (ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙ্গুলের ছাপ) গ্রহণপূর্বক স্মার্ট কার্ড ইস্যু করা হয়। স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রন্টিং সম্পন্ন হলে গ্রাহককে এসএমএস এর মাধ্যমে তা গ্রহণের বিষয়টি জানিয়ে দেয়া হয়। স্মার্টকার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: ১। নির্ধারিত ফরমে আবেদন। ২। রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট। ৩। ন্যাশনাল আইডি কার্ড / জন্ম সনদ/পাসপোর্ট এর সত্যায়িত ফটোকপি। ৪। নির্ধারিত ফী জমাদানের রশিদ। ৫। পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদন। ৬। সদ্য তোলা ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি। পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রকৃতিঃ (১) পেশাদার হালকা (মোটরযানের ওজন ২৫০০কেজি-এর নিচে) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে ২০ বছর হতে হবে, (২) পেশাদার মধ্যম (মোটরযানের ওজন ২৫০০ থেকে ৬৫০০ কেজি) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে ২৩ বছর হতে হবে এবং পেশাদার হালকা ড্রাইভিং লাইসেন্সের ব্যবহার কমপক্ষে ০৩ বছর হতে হবে। (৩) পেশাদার ভারী (মোটরযানের ওজন ৬৫০০ কেজির বেশী) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে ২৬ বছর হতে হবে এবং পেশাদার মধ্যম ড্রাইভিং লাইসেন্সের ব্যবহার কমপক্ষে ০৩ বছর হতে হবে। [বি:দ্র: পেশাদার ভারী ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য প্রার্থীকে প্রথমে হালাকা ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে হবে এর ন্যূনতম তিন বছর পর তিনি পেশাদার মিডিয়াম ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং মিডিয়ম ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার কমপক্ষে ০৩ (তিন) বছর পর ভারী ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। ] ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়া: (ক) অপেশাদারঃ গ্রাহককে প্রথমে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বিআরটিএর নির্দিষ্ট সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্র ও সংযুক্ত কাগজপত্র সঠিক পাওয়া গেলে একইদিনে গ্রাহকের বায়োমেট্রিক্স (ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙ্গুলের ছাপ) গ্রহণ করা হয়। স্মার্ট কার্ড wপ্রন্টিং সম্পন্ন হলে গ্রাহককে এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়। (খ) পেশাদারঃ পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সধারীদেরকে পুনরায় একটি ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষায় উত্ত্তীর্ণ হওয়ার পর নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বিআরটিএর নির্দিষ্ট সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। গ্রাহকের বায়োমেট্রিক্স (ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙ্গুলের ছাপ) গ্রহণের জন্য গ্রাহককে নির্দিষ্ট সার্কেল অফিসে উপস্থিত হতে হয়। স্মার্ট কার্ড wপ্রন্টিং-এর সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে গ্রাহককে এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: ১। নির্ধারিত ফরমে আবেদন। ২। রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট। ৩। ন্যাশনাল আইডি কার্ড / জন্ম সনদ/পাসপোর্ট এর সত্যায়িত ফটোকপি। ৪। নির্ধারিত ফী জমাদানের রশিদ। ৫। পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদন। ৬। সদ্য তোলা ১ কপি পাসপোর্ট ও ১কপি স্ট্যাম্প সাইজ ছবি। ডুপ্লিকেট লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়া : প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: ১। নির্ধারিত ফরমে আবেদন। ২। জিডি কপি ও ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স। ৩। নির্ধারিত ফী (হাই সিকিউরিউটি ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে ৬৩৩/-টাকা) বিআরটিএ’র নির্ধারিত ব্যাংকে জমাদানের রশিদ।। ৪। সদ্য তোলা ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি। অনলাইন আবেদন সহ সকল প্রসেস আমাদের মাধ্যমে করাতে চাইলে বা যে কোন পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ

হারানো NID কার্ড তোলার বিস্তারিত নিয়ম: ১. থানায় সাধারণ ডায়েরি (GD): প্রথমেই নিকটস্থ থানায় এনআইডি হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জিডি করতে হবে। জিডির কপির একটি নম্বর থাকে যা আবেদনের সময় প্রয়োজন হবে। ২. অনলাইনে আবেদন:services.nidw.gov.bd সাইটে গিয়ে ‘রেজিস্ট্রেশন’ করুন।‘Re-issue’ বা 'হারানো' অপশনে ক্লিক করুন।জিডির স্ক্যান কপি আপলোড করুন। ৩. ফি পরিশোধ: হারানো কার্ডের জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ফি (সাধারণত ২৩০ টাকা বা তার বেশি, ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে ভিন্ন হতে পারে) বিকাশ, রকেট বা অন্যান্য মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। ৪. ফাইনাল সাবমিশন: সমস্ত তথ্য ও ফি পরিশোধের ডকুমেন্ট সাবমিট করতে হবে। ৫. ডাউনলোড বা উত্তোলন: আবেদন অনুমোদিত হলে আপনি প্রোফাইল থেকে কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন অনলাইন আবেদন সহ সকল প্রসেস আমাদের মাধ্যমে করাতে চাইলে বা যে কোন পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ

১। ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র অনলাইনে পূরণ করা যাবে। ২। ই-পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে কোন কাগজপত্র সত্যায়ন করার প্রয়োজন হবে না। ৩। ই-পাসপোর্ট ফরমে কোন ছবি সংযোজন এবং তা সত্যায়নের প্রয়োজন হবে না। ৪। জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version) অনুযায়ী আবেদন পত্র পূরণ করতে হবে। ৫। অপ্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছরের কম) আবেদনকারী যার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নাই, তার পিতা অথবা মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। ৬। জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version) নিম্নোক্ত বয়স অনুসারে দাখিল করতে হবে- (ক) ১৮ বছরের নিম্নে হলে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version). (খ) ১৮-২০ বছর হলে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version) (গ) ২০ বছরের উর্ধে হলে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) আবশ্যক । তবে বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন হতে আবেদনের ক্ষেত্রে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version) গ্রহণযোগ্য হবে। ৭। তারকা চিহ্নিত ক্রমিক নম্বরগুলো অবশ্যই পূরণীয়। ৮। দত্তক/অভিভাবকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের আবেদনের সাথে সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতে জারিকৃত আদেশ দাখিল করতে হবে। ৯। আবেদন বর্তমান ঠিকানা সংশ্লিষ্ঠ বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস/আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস/বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনে দাখিল করতে হবে। ১০। ১৮ বছরের নিম্নের সকল আবেদনে ই-পাসপোর্টের মেয়াদ হবে ০৫ বছর এবং ৪৮ পৃষ্ঠার। ১১। প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল সনদসমূহ (যেমন: ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ড্রাইভার ইত্যাদি) আপলোড/সংযোজন করতে হবে। ১২। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক জিও (GO)/এনওসি (NOC)/ প্রত্যয়নপত্র/ অবসরোত্তর ছুটির আদেশ (PRL Order)/ পেনশন বই আপলোড/সংযোজন করতে হবে যা ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষের নিজ নিজ Website এ আপলোড থাকতে হবে। ১৩। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিবাহ সনদ/নিকাহনামা এবং বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে তালাকনামা দাখিল করতে হবে। ১৪। দেশের অভ্যন্তরে আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ফি এর উপর নির্ধারিত হারে ভ্যাট (VAT) সহ অন্যান্য চার্জ (যদি থাকে) অতিরিক্ত হিসাবে প্রদেয় হবে। বিদেশে আবেদনের ক্ষেত্রেও সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি প্রদেয় হবে। ১৫। কূটনৈতিক পাসপোর্টের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার ও ওয়েলফেয়ার উইং (Consular and Welfare Wing) অথবা ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় বরাবর আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে। ১৬। বৈদেশিক মিশন হতে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা হলে স্থায়ী ঠিকানার কলামে বাংলাদেশের যোগাযোগের ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে। ১৭। অতি জরুরী পাসপোর্টের আবেদনের ক্ষেত্রে (নতুন ইস্যু) নিজ উদ্যোগে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ সংগ্রহ পূর্বক আবশ্যিকভাবে আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে। ১৮। (ক) দেশের অভ্যন্তরে অতি জরুরী পাসপোর্ট প্রাপ্তির লক্ষ্যে আবেদনের সাথে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দাখিল করা হলে অন্যান্য সকল তথ্য সঠিক থাকা সাপেক্ষে ২ কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট প্রদান করা হবে। (খ) দেশের অভ্যন্তরে জরুরী পাসপোর্ট প্রাপ্তির লক্ষ্যে আবেদনের সাথে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দাখিল করা হলে অন্যান্য সকল তথ্য সঠিক থাকা সাপেক্ষে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট প্রদান করা হবে। (গ) দেশের অভ্যন্তরে রেগুলার পাসপোর্ট প্রাপ্তির লক্ষ্যে আবেদনের সাথে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দাখিল করা হলে অন্যান্য সকল তথ্য সঠিক থাকা সাপেক্ষে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট প্রদান করা হবে। ১৯। আবেদনের সময় মূল জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version) এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল সনদ, সরকারি আদেশ (GO)/অনাপত্তি (NOC) প্রদর্শন/দাখিল করতে হবে। ২০। পাসপোর্ট রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে মূল পাসপোর্ট প্রদর্শন করতে হবে। ২১। হারানো পাসপোর্টের ক্ষেত্রে মূল জিডির কপি প্রদর্শন/দাখিল করতে হবে। পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে অথবা চুরি হলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় জিডি করতে হবে। পুনরায় পাসপোর্টের জন্য আবেদনের সময় পুরাতন পাসপোর্টের ফটোকপি এবং জিডি কপিসহ আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে । ২২। ০৬ বছর বয়সের নিম্নের আবেদনের ক্ষেত্রে ৩ আর (3R Size) সাইজের ( ল্যাব প্রিন্ট গ্রে ব্যাকগ্রউন্ড ) ছবি দাখিল করতে হবে। অনলাইন আবেদন সহ সকল প্রসেস আমাদের মাধ্যমে করাতে চাইলে বা যে কোন পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়মাবলি (২০২৬): ১. অনলাইন আবেদন: Bangladesh NID Application System-এ গিয়ে 'নতুন ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করুন' অপশনে ক্লিক করে অ্যাকাউন্ট খুলুন। ২. ফর্ম পূরণ: ভোটার নিবন্ধন ফরমটি নির্ভুলভাবে পূরণ করুন। ব্যক্তিগত তথ্য, ঠিকানা, এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণ করুন। ৩. কাগজপত্র আপলোড: প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের স্ক্যান কপি আপলোড করুন। ৪. আবেদন দাখিল: আবেদন সম্পন্ন হলে ফরমটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করুন। ৫. কাগজপত্র জমা ও বায়োমেট্রিক: প্রিন্ট করা ফরমের সাথে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে গিয়ে বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ ও ছবি) দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করুন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:অনলাইন জন্ম সনদ।পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডের কপি।নাগরিক সনদপত্র (সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদ)।শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ (যেমন- জেএসসি, এসএসসি বা সমমান)।ইউটিলিটি বিলের কপি বা ঠিকানার প্রমাণপত্র।স্মার্ট কার্ড চেক:আবেদন অনুমোদনের পর এনআইডি কার্ড তৈরি হয়েছে কি না তা services.nidw.gov.bd-এ গিয়ে চেক করা যায়। বিশেষ দ্রষ্টব্য: বর্তমানে ১৬ বছর বয়স থেকেই ভোটার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করা যাচ্ছে, তবে ভোটার তালিকায় নাম যুক্ত হবে ১৮ বছর বয়সে। অনলাইন আবেদন সহ সকল প্রসেস আমাদের মাধ্যমে করাতে চাইলে বা যে কোন পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ

১। আবেদনকারীর কমপক্ষে ৩ মাস মেয়াদ সম্পন্ন পাসপোর্ট থাকতে হবে। ২। আবেদনকারীর বর্তমান ঠিকানা হিসেবে পাসপোর্টে উল্লিখিত স্থায়ী কিংবা জরুরী ঠিকানার যে কোন একটি ব্যবহার করতে হবে এবং আবেদনকারীকে অবশ্যই ঐ ঠিকানার বাসিন্দা হতে হবে। ৩। মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এম আর পি) এর ক্ষেত্রে যদি পাসপোর্টে ঠিকানা উল্লেখ না থাকে তবে ঠিকানার প্রমাণ স্বরূপ জাতীয় পরিচয় পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র/স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর সনদপত্রের ফটোকপি ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে দাখিল করতে হবে । ৪। বিদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী কোন ব্যক্তির পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য তিনি যে দেশে অবস্থান করছেন সে দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশন কর্তৃক পাসপোর্টের তথ্য পাতার সত্যায়িত কপি তার পক্ষে করা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে । ৫। বিদেশগামী কিংবা প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিক এবং বাংলাদেশে বসবাস করে স্বদেশে/বিদেশে প্রত্যাবর্তনকারী বিদেশী নাগরিকদের জন্য প্রয়োজনীয় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এই অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে ইস্যু করা হয়। ৬। বিদেশগামী কিংবা প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিক যারা বাংলাদেশ ব্যতীত অন্য কোন দেশ থেকে পাসপোর্ট ইস্যু/ রি-ইস্যু করিয়েছেন তাদেরকে বাংলাদেশে আসার পর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতে চাইলে সর্বশেষ এরাইভেল (Arrival) সিল সম্বলিত পৃষ্ঠাটির স্ক্যান কপি আবেদনের সাথে আপলোড করতে হবে। ৭। প্রবাসী আবেদনকারীগণ যার মাধ্যমে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ সংগ্রহ করতে চান তার নাম এবং জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর উল্লেখ করে তাকে সত্যায়ন পূর্বক একটি অনুমতি পত্র (Authorization Letter) আবেদনের সাথে আপলোড করতে হবে। স্থানীয় আবেদনকারীর ক্ষেত্রেও সনদ গ্রহণের সময় সংগ্রহকারীকে অনুরূপ অনুমতি পত্রসহ প্রেরণ করতে হবে। ৮। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাকুরী কিংবা অন্য কোন কাজে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রয়োজন হলে আপনি যে জেলার বাসিন্দা উক্ত জেলা ডিএসবি অফিস অথবা আপনার ঠিকানা যদি মেট্রোপলিটন এলাকায় হয় তাহলে উক্ত মেট্রোপলিটন এলাকার সিটি এসবি অফিসে যোগাযোগ করুন। ৯। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ডেলিভারি নিতে প্রার্থীর পাসপোর্টের কপি অথবা আবেদনের কপি সাথে নিয়ে আসতে হবে। এছাড়া প্রার্থী বিদেশে থাকলে সংশ্লিষ্ট এম্বাসি কর্তৃক সত্যায়িত/জাস্টিস অব পিস কর্তৃক সত্যায়িত অথোরাইজেশন লেটার আনতে হবে। প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস ১। অনলাইনে যথাযথভাবে পূরণকৃত আবেদন পত্র । ২। ১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি অথবা বিদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশী নাগরিকগনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি অথবা বিদেশী নাগরিকদের ক্ষেত্রে নিজ দেশের জাস্টিস অব পিস (Justice of Peace) কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি। ৩। বাংলাদেশ ব্যাংক/ সোনালী ব্যাংকের যে কোন শাখা থেকে (১-৭৩০১-০০০১-২৬৮১) কোডে করা ১৫০০/- (এক হাজার পাঁচশত) টাকা মূল্যমানের ট্রেজারী চালান অথবা অনলাইনে ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্ধারিত সার্ভিসচার্জ সহ ফি প্রদান। আবেদনের নিয়মাবলী ধাপ : ১ অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করে যে কেউ নিজের জন্য অথবা অন্যের পক্ষে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর জন্য আবেদন করতে পারবে। নিবন্ধন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন। ধাপ : ২ নিবন্ধিত ব্যবহারকারী অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সাইটে লগ-ইন করার পর Apply মেনুতে ক্লিক করে আবেদনপত্রটি যথাযথভাবে পূরণ করুন।। ধাপ : ৩ আবেদন ফরমের প্রথম ধাপে ব্যক্তিগত বিস্তারিত তথ্য, দ্বিতীয় ধাপে বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা পূরণ করুন। আপনার বর্তমান ঠিকানা যে জেলা বা মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত সেই ঠিকানায় পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হবে। ধাপ : ৪ আবেদন ফরমের তৃতীয় ধাপে প্রয়োজনীয় ডকুমেণ্টসমূহের স্ক্যান কপি আপলোড করুন। ধাপ : ৫ আবেদন ফরমের চতুর্থ ধাপে আপনার এন্ট্রিকৃত সকল তথ্য দেখানো হবে। আবেদনে কোন ভুল থাকলে তা পূর্ববর্তী ধাপসমূহে ফেরত গিয়ে পরিবর্তন করা যাবে। তবে চতুর্থ ধাপে আবেদনটি সাবমিট করার পর আর কোন পরিবর্তন করার সুযোগ থাকবে না। ধাপ : ৬ চালানের মাধ্যেমে ফি পরিশোধের উপায় এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে প্রদত্ত নির্দেশনা অনুসরণ করুন। অনলাইন আবেদন সহ সকল প্রসেস আমাদের মাধ্যমে করাতে চাইলে বা যে কোন পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ

বাংলাদেশে অনলাইনে টিন (TIN) সার্টিফিকেট বা ই-টিন (e-TIN) আবেদনের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) ওয়েবসাইট (https://etaxnbr.gov.bd) ব্যবহার করতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে নিবন্ধন করে, 'TIN Application' ফর্মে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে ১৫-২০ মিনিটের মধ্যেই সার্টিফিকেট ডাউনলোড করা সম্ভব। 1-অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট আবেদনের ধাপসমূহ: ওয়েবসাইটে প্রবেশ: এনবিআর-এর অফিসিয়াল সাইটে (https://etaxnbr.gov.bd) গিয়ে "Register" অপশনে ক্লিক করুন। 2-অ্যাকাউন্ট তৈরি: ইউজার আইডি, পাসওয়ার্ড, সচল মোবাইল নম্বর এবং অন্যান্য তথ্য দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করুন। আপনার মোবাইলে একটি অ্যাক্টিভেশন কোড বা OTP আসবে, যা দিয়ে অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করুন। 3-লগইন ও আবেদন: তৈরি করা ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করুন। বাম পাশের মেনু থেকে "TIN Application" অপশনে ক্লিক করুন। 4-তথ্য পূরণ: করদাতার ধরণ (ব্যক্তি/কোম্পানি), নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্ম তারিখ, ঠিকানা, আয়ের উৎস ইত্যাদি সঠিক তথ্য দিন 5-।সাবমিট: "Submit Application" বাটনে ক্লিক করুন। 6-ডাউনলোড: আবেদন সফল হলে ১২ ডিজিটের টিআইএন নম্বরসহ সার্টিফিকেটটি পিডিএফ (PDF) আকারে ডাউনলোড বা প্রিন্ট করুন। অনলাইন আবেদন সহ সকল প্রসেস আমাদের মাধ্যমে করাতে চাইলে বা যে কোন পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ
আমাদের সেবা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে নিচের প্রশ্নগুলো দেখতে পারেন।
আমরা দিচ্ছি সকল প্রকার সরকারি আবেদন, অনলাইন ফর্ম পূরণ এবং ডিজিটাল পেমেন্টের নির্ভরযোগ্য সমাধান।
নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন
নাম ও বয়স সংশোধন সহায়তা
ইংরেজি ও বাংলা সনদ
অনলাইন ভেরিফিকেশন
নতুন TIN আবেদন
e-TIN সার্টিফিকেট PDF
তাৎক্ষণিক প্রসেসিং
হারানো টিন উত্তলন
সংশোধণ আবেদন
নির্ভূল আবেদন
দ্রুত সেবা প্রদান
ডকুমেন্ট যাচাই
পেমেন্ট সম্পূর্ণ
নির্ভূল আবেদন
পেমেন্ট সম্পূর্ণ
দ্রুত সার্টিফিকেট প্রদান
সকল পরামর্শ
নতুন আবেদন
রিনিউ প্রসেস
পেমেন্ট সম্পূর্ণ
স্ট্যাটাস ট্র্যাকিং
নির্ভূল আবেদন
পেমেন্ট সম্পূর্ণ
সঠিক ডকুমেন্ট আপলোড
আবেদন কপি ডাউনলোড